কায়কোবাদ-ই ফ্যাক্ট!
চলমান উপজেলা নির্বাচনে মুরাদনগরে আওয়ামী লীগের জন্য ফ্যাক্টর হয়ে
দাঁড়িয়েছেন বিএনপির পলাতক নেতা কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। ভোটের
মাঠে পলাতক বা নিখোঁজ নন কায়কোবাদ। যেন তার সরব উপস্থিতি সবখানে।
আর প্রথম ও দ্বিতীয় দফা ফলাফলের পর পঞ্চম দফায় সে বিষয়টি আরও ¯পষ্ট হয়ে উঠেছে কায়কোবাদ অধ্যুষিত এই জনপদে। আগামী ৩১শে মার্চ মুরাদনগর উপজেলা নির্বাচন। এই নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যে মাঠ দু’ভাগে বিভক্ত। এক ভাগে একক প্রার্থী নিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী মুক্ত আওয়ামী লীগসহ মহাজোট রয়েছেন বেশ খোশ আমেজে। অন্য ভাগে সব পদেই বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি নিয়ে বেকায়দায় রয়েছেন বিএনপিসহ ১৯ দল। আওয়ামী লীগ সমর্থিত একক প্রার্থী বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা সৈয়দ মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম খসরু আর একাধিক বিদ্রোহীদের মাঝে ১৯ দলের প্রার্থী কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আরেক উপদেষ্টা ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক শিল্প বিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া সরকার। গতকাল সব প্রার্থীকে নিয়ে বৈঠক করলেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
বরাবরের মতো তাদেরকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দিয়েছেন। একই সঙ্গে বলেছেন, কোন ধরনের বাড়াবাড়ি সহ্য করা হবে না। ভোট হবে উৎসবমুখর পরিবেশে। এরপর ওই বৈঠক থেকে বেরিয়ে এসে উপজেলার বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় পথসভায় মিলিত হলেন ১৯ দলের প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া সরকার (কাপ পিরিচ)। আর শতাধিক অনুসারী নিয়ে হেঁটে হেঁটে উপজেলার রামচন্দ্রপুরের পুরো বাজার গণসংযোগ করলেন মহা জোট সমর্থিত প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম খসরু ( হেলিকপ্টার)। মুরাদনগর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম সরকার জানালেন, মুরাদনগরের অতীত ঐতিহ্য রয়েছে। এখানে গত ৫ বছর ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। বর্তমানে এ আসনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রভাবশালী এমপি রয়েছেন, তাই মুরাদনগরের মানুষ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রা করতে তার দল আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুমের পইে সমর্থন দেবে। ১৯ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া সরকার জানালেন, ভোটের মাঠ এখন পর্যন্ত নিরপে। তবে, ভোট কারচুপির আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।
এ কারণে তিনি প্রশাসনকে সব সময় নিরপে ভূমিকা রাখার আহবান জানান। ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরাও বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ চালাচ্ছেন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো: রফিকুল ইসলাম সরকার জানালেন, তিনি আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী হলেও এ উপজেলায় সর্বস্তরের জনগনের কাছেই তার বেশ গ্রহন যোগ্যতা রয়েছে। একই সঙ্গে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সানোয়ারা বেগম লুনা (হাঁস) আবারো জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ জানিয়ে বলেন, জনগনের ভালবাসা ও ভোটের টানে তিনি আবারো নির্বাচনে এসেছেন। এদিকে, মুরাদনগরে দুই জোটের প্রার্থীর পে প্রচারণায় নেমেছেন কয়েক শ’ প্রবাসী। গতকাল মুরাদনগরের দারোর বাজারে ১৯ দলের প্রার্থীর পে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সিনিয়র নেতা গোলাম রব্বানীসহ ২০ থেকে ২৫ জন প্রবাসী নেতা। বিকেলে কোম্পানীগঞ্জ বাজারে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম স¤পাদক প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা ওয়ালি উল্লাহ কাউসার চৌধুরীর উদ্যোগে বিশাল গণসংযোগ ও পথসভার আয়োজন করা হয়। ওই পথসভায় যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের বেশ কয়েকজন নেতা বক্তব্য রাখেন।
এদিকে বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে কেন্দ্রীয় যুবলীগের উপ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আ কম গিয়াস উদ্দিন আওয়ামীলীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী সৈয়দ আবদুল কাইয়ুম খসরুকে ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ভিপি জাকির হোসেন একই দল সমর্থিত ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো: রফিকুল ইসলামকে (টিয়া) সমর্থন দিয়ে ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। আর তারা দু’জন সরে দাঁড়ানোর পর থেকে ভোটের মাঠ দুই ভাগে বিভক্তসহ আওয়ামীলীগে আর কোন বিদ্রোহী প্রার্থী রইলনা। তবে ১৯ দল সমর্থিত একক প্রার্থী কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির উপদেষ্টা গোলাম কিবরিয়া সরকার (কাঁপ পিরিচ), ভাইস চেয়ারম্যান জামায়েতের ইউসুফ হাকিম সোহেল (মাইক) ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান (উপজেলা মহিলা লীগের সাবেক সভানেত্রী) সদ্য বিএনপিতে যোগদানকারী তাহমিনা বেগম (প্রজাঁপতি) ছাড়াও ১৯ দলের চার বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি অষ্ট্রেলিয়া শাখার সাবেক সভাপতি ও যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক মনিরুল হক জজ মিয়া (টুপি), উপজেলার বাঙ্গরা পশ্চিম ইউপির চেয়ারম্যান মো: মহিউদ্দীন অঞ্জন (ঘোড়া), আল মামুন ( আনারস) ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক মিনহাজুল হক (টেলিফোন)। বিদ্রোহী ভাইস চেয়ারম্যান এনামুল আলম (উড়ো জাঁহাজ), খলিলুর রহমান (চশমা), মোহাম্মদ আলম (জাহাজ) ও একই দলের বিদ্রোহী মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জুলেখা খাতুন (কলস) প্রতীক নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন।
এদিকে গত সাত বছর ধরে চলে আসা আওয়ামীলীগের জাহাঙ্গীর আলম সরকার ও ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন’র মধ্যে দীর্ঘ ঘরোয়া বিবাদ, অভ্যন্তরিন কোন্দল মিটিয়ে আসন্ন ৩১ মার্চ পঞ্চম দফা উপজেলা নির্বাচনে মুরাদনগরে জয়ের ধারা ধরে রাখার প্রত্যয়ে মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ ঐক্যের চুড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে। এ ল্েয গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটায় মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীরা অতীতের সকল বিরোধ ভুলে ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এমপি ও জাহাঙ্গীর আলম সরকারের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গিকার করেছেন। একই দলের দুই গ্রুপের মধ্যকার রাজনৈতিক ভিাজনের বিরোধ মিটিয়ে বৃহত্তর স্বার্থে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দলের জন্য ভালো ফলাফল করতেই ঐক্যের মাধ্যমে অঙ্গীকার করেন।
আর প্রথম ও দ্বিতীয় দফা ফলাফলের পর পঞ্চম দফায় সে বিষয়টি আরও ¯পষ্ট হয়ে উঠেছে কায়কোবাদ অধ্যুষিত এই জনপদে। আগামী ৩১শে মার্চ মুরাদনগর উপজেলা নির্বাচন। এই নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যে মাঠ দু’ভাগে বিভক্ত। এক ভাগে একক প্রার্থী নিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী মুক্ত আওয়ামী লীগসহ মহাজোট রয়েছেন বেশ খোশ আমেজে। অন্য ভাগে সব পদেই বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি নিয়ে বেকায়দায় রয়েছেন বিএনপিসহ ১৯ দল। আওয়ামী লীগ সমর্থিত একক প্রার্থী বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা সৈয়দ মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম খসরু আর একাধিক বিদ্রোহীদের মাঝে ১৯ দলের প্রার্থী কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আরেক উপদেষ্টা ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক শিল্প বিষয়ক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া সরকার। গতকাল সব প্রার্থীকে নিয়ে বৈঠক করলেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
বরাবরের মতো তাদেরকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দিয়েছেন। একই সঙ্গে বলেছেন, কোন ধরনের বাড়াবাড়ি সহ্য করা হবে না। ভোট হবে উৎসবমুখর পরিবেশে। এরপর ওই বৈঠক থেকে বেরিয়ে এসে উপজেলার বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় পথসভায় মিলিত হলেন ১৯ দলের প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া সরকার (কাপ পিরিচ)। আর শতাধিক অনুসারী নিয়ে হেঁটে হেঁটে উপজেলার রামচন্দ্রপুরের পুরো বাজার গণসংযোগ করলেন মহা জোট সমর্থিত প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম খসরু ( হেলিকপ্টার)। মুরাদনগর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম সরকার জানালেন, মুরাদনগরের অতীত ঐতিহ্য রয়েছে। এখানে গত ৫ বছর ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। বর্তমানে এ আসনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রভাবশালী এমপি রয়েছেন, তাই মুরাদনগরের মানুষ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রা করতে তার দল আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুমের পইে সমর্থন দেবে। ১৯ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া সরকার জানালেন, ভোটের মাঠ এখন পর্যন্ত নিরপে। তবে, ভোট কারচুপির আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না।
এ কারণে তিনি প্রশাসনকে সব সময় নিরপে ভূমিকা রাখার আহবান জানান। ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরাও বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ চালাচ্ছেন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো: রফিকুল ইসলাম সরকার জানালেন, তিনি আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী হলেও এ উপজেলায় সর্বস্তরের জনগনের কাছেই তার বেশ গ্রহন যোগ্যতা রয়েছে। একই সঙ্গে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সানোয়ারা বেগম লুনা (হাঁস) আবারো জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ জানিয়ে বলেন, জনগনের ভালবাসা ও ভোটের টানে তিনি আবারো নির্বাচনে এসেছেন। এদিকে, মুরাদনগরে দুই জোটের প্রার্থীর পে প্রচারণায় নেমেছেন কয়েক শ’ প্রবাসী। গতকাল মুরাদনগরের দারোর বাজারে ১৯ দলের প্রার্থীর পে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সিনিয়র নেতা গোলাম রব্বানীসহ ২০ থেকে ২৫ জন প্রবাসী নেতা। বিকেলে কোম্পানীগঞ্জ বাজারে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম স¤পাদক প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা ওয়ালি উল্লাহ কাউসার চৌধুরীর উদ্যোগে বিশাল গণসংযোগ ও পথসভার আয়োজন করা হয়। ওই পথসভায় যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের বেশ কয়েকজন নেতা বক্তব্য রাখেন।
এদিকে বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে কেন্দ্রীয় যুবলীগের উপ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আ কম গিয়াস উদ্দিন আওয়ামীলীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী সৈয়দ আবদুল কাইয়ুম খসরুকে ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ভিপি জাকির হোসেন একই দল সমর্থিত ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো: রফিকুল ইসলামকে (টিয়া) সমর্থন দিয়ে ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। আর তারা দু’জন সরে দাঁড়ানোর পর থেকে ভোটের মাঠ দুই ভাগে বিভক্তসহ আওয়ামীলীগে আর কোন বিদ্রোহী প্রার্থী রইলনা। তবে ১৯ দল সমর্থিত একক প্রার্থী কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির উপদেষ্টা গোলাম কিবরিয়া সরকার (কাঁপ পিরিচ), ভাইস চেয়ারম্যান জামায়েতের ইউসুফ হাকিম সোহেল (মাইক) ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান (উপজেলা মহিলা লীগের সাবেক সভানেত্রী) সদ্য বিএনপিতে যোগদানকারী তাহমিনা বেগম (প্রজাঁপতি) ছাড়াও ১৯ দলের চার বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি অষ্ট্রেলিয়া শাখার সাবেক সভাপতি ও যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক মনিরুল হক জজ মিয়া (টুপি), উপজেলার বাঙ্গরা পশ্চিম ইউপির চেয়ারম্যান মো: মহিউদ্দীন অঞ্জন (ঘোড়া), আল মামুন ( আনারস) ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক মিনহাজুল হক (টেলিফোন)। বিদ্রোহী ভাইস চেয়ারম্যান এনামুল আলম (উড়ো জাঁহাজ), খলিলুর রহমান (চশমা), মোহাম্মদ আলম (জাহাজ) ও একই দলের বিদ্রোহী মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জুলেখা খাতুন (কলস) প্রতীক নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন।
এদিকে গত সাত বছর ধরে চলে আসা আওয়ামীলীগের জাহাঙ্গীর আলম সরকার ও ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন’র মধ্যে দীর্ঘ ঘরোয়া বিবাদ, অভ্যন্তরিন কোন্দল মিটিয়ে আসন্ন ৩১ মার্চ পঞ্চম দফা উপজেলা নির্বাচনে মুরাদনগরে জয়ের ধারা ধরে রাখার প্রত্যয়ে মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ ঐক্যের চুড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে। এ ল্েয গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটায় মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীরা অতীতের সকল বিরোধ ভুলে ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এমপি ও জাহাঙ্গীর আলম সরকারের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গিকার করেছেন। একই দলের দুই গ্রুপের মধ্যকার রাজনৈতিক ভিাজনের বিরোধ মিটিয়ে বৃহত্তর স্বার্থে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে দলের জন্য ভালো ফলাফল করতেই ঐক্যের মাধ্যমে অঙ্গীকার করেন।
Comments
Post a Comment