পালিত হয়নি ১৯ দলের হরতালঃ চৌদ্দগ্রামে আওয়ামীলীগ প্রার্থীরা বিজয়ী
চৌদ্দগ্রামে গত ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুস সোবহান ভূইয়া হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান পদে নুরুল ইসলাম হাজারী ও মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান পদে রাশেদা আখতারের বিশাল বিজয় হয়েছে। এ বিজয়ের মাধ্যমে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও রেলপথমন্ত্রী মুজিবুল হকের চৌদ্দগ্রামের সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার সুযোগ আরো বৃদ্ধি হয়েছে বলে মনে করছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার ১০৩ টি কেন্দ্রের মধ্যে গোলযোগের কারণে ২টি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হয়। বাকী ১০১টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে ১লাখ ৭৭ হাজার ৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামীলীগ সমর্থিত আবদুস সোবহান ভুইয়া হাসান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ১৯ দলীয় জোট প্রার্থী কামরুল হুদা পেয়েছেন ২৪ হাজার ৫৯ ভোট পেয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ সমর্থিত নুরুল ইসলাম হাজারী ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ১৯ দলীয় জোট সমর্থিত উপজেলা জামায়াতের আমীর সাহাব উদ্দিন পেয়েছেন ৩০ হাজার ৪৭৯ ভোট। মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ সমর্থিত রাশেদা আখতার ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারী নির্বাচিত হয়েছেন। তারনিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ১৯ দলীয় জোট প্রার্থী রাহেনা বেগম পেয়েছেন ২৫ হাজার ১১৯ ভোট। নির্বাচিত ৩জনই চৌদ্দগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান। দীর্ঘ ১ মাস ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেছিলেন সকল প্রার্থীই। ১৫ মার্চ সকল জল্পনা-কল্পনা অবসান ঘটিয়ে চৌদ্দগ্রামের প্রায় পৌনে ৩ লাখ ভোটার আগামী ৫ বছরের জন্য আবারো তাদের প্রতিনিধি হিসেবে আওয়ামীলীগ সমর্থিত ৩ প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে স্থানীয় সংসদ সদস্য রেলপথমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী ও চৌদ্দগ্রামের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার সুযোগ করে দিয়েছেন।
এদিকে ভোট গ্রহণের শুরু থেকেই আ’লীগ সমর্থিতরা কেন্দ্র দখল, ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও ভোটারদের হুমকির মাধ্যমে বিজয়ী ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ করে নির্বাচন স্থগিতের দাবী জানিয়ে গতকাল রোববার চৌদ্দগ্রামে অর্ধদিবস হরতালের ডাক দিয়েছে ১৯ দলীয় জোট। হরতালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ আঞ্চলিক সড়কগুলোতে যান চলাচল ছিল স্বাভাবিক। উপজেলা বিএনপি কার্যালয়, ১৯ দলীয় জোটের প্রার্থী কামরুল হুদার নিজ এলাকার বিএনপি কার্যালয় ও উপজেলা জাতীয় পার্টির কার্যালয় ছিল বন্ধ, উপজেলা কোথাও দেখা যায়নি কোন পিকেটারকে। সরকারী-বেসরকারী অফিসসহ ব্যাংক-বীমা অফিসে লেনদেন ছিল স্ব্ভাবিক।
চৌদ্দগ্রামে গত ১৫ মার্চ অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুস সোবহান ভূইয়া হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান পদে নুরুল ইসলাম হাজারী ও মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান পদে রাশেদা আখতারের বিশাল বিজয় হয়েছে। এ বিজয়ের মাধ্যমে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও রেলপথমন্ত্রী মুজিবুল হকের চৌদ্দগ্রামের সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার সুযোগ আরো বৃদ্ধি হয়েছে বলে মনে করছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার ১০৩ টি কেন্দ্রের মধ্যে গোলযোগের কারণে ২টি কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করা হয়। বাকী ১০১টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে ১লাখ ৭৭ হাজার ৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামীলীগ সমর্থিত আবদুস সোবহান ভুইয়া হাসান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ১৯ দলীয় জোট প্রার্থী কামরুল হুদা পেয়েছেন ২৪ হাজার ৫৯ ভোট পেয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ সমর্থিত নুরুল ইসলাম হাজারী ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ১৯ দলীয় জোট সমর্থিত উপজেলা জামায়াতের আমীর সাহাব উদ্দিন পেয়েছেন ৩০ হাজার ৪৭৯ ভোট। মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ সমর্থিত রাশেদা আখতার ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারী নির্বাচিত হয়েছেন। তারনিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ১৯ দলীয় জোট প্রার্থী রাহেনা বেগম পেয়েছেন ২৫ হাজার ১১৯ ভোট। নির্বাচিত ৩জনই চৌদ্দগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান। দীর্ঘ ১ মাস ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেছিলেন সকল প্রার্থীই। ১৫ মার্চ সকল জল্পনা-কল্পনা অবসান ঘটিয়ে চৌদ্দগ্রামের প্রায় পৌনে ৩ লাখ ভোটার আগামী ৫ বছরের জন্য আবারো তাদের প্রতিনিধি হিসেবে আওয়ামীলীগ সমর্থিত ৩ প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে স্থানীয় সংসদ সদস্য রেলপথমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী ও চৌদ্দগ্রামের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার সুযোগ করে দিয়েছেন।
এদিকে ভোট গ্রহণের শুরু থেকেই আ’লীগ সমর্থিতরা কেন্দ্র দখল, ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও ভোটারদের হুমকির মাধ্যমে বিজয়ী ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ করে নির্বাচন স্থগিতের দাবী জানিয়ে গতকাল রোববার চৌদ্দগ্রামে অর্ধদিবস হরতালের ডাক দিয়েছে ১৯ দলীয় জোট। হরতালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ আঞ্চলিক সড়কগুলোতে যান চলাচল ছিল স্বাভাবিক। উপজেলা বিএনপি কার্যালয়, ১৯ দলীয় জোটের প্রার্থী কামরুল হুদার নিজ এলাকার বিএনপি কার্যালয় ও উপজেলা জাতীয় পার্টির কার্যালয় ছিল বন্ধ, উপজেলা কোথাও দেখা যায়নি কোন পিকেটারকে। সরকারী-বেসরকারী অফিসসহ ব্যাংক-বীমা অফিসে লেনদেন ছিল স্ব্ভাবিক।

Comments
Post a Comment