চান্দিনায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বর্জন করেছে বিএনপি’র চেয়ারম্যান প্রার্থী
মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দিন ভূইয়া (দোয়াত-কলম) ও ১৯ দলীয় জোট সমর্থিত
প্রার্থী অধ্যাপক মো. আবু তাহের (টেলিফোন)।
সোমবার নির্বাচন চলাকালীন সময়ে দুপুর সাড়ে ১২টায় পৃথক ভাবে ওই দুই প্রার্থী বিভিন্ন অনিয়ম ও কারচুপি’র অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দিন ভূইয়া’র লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে এ তথ্য পাওয়া যায়।
মফিজ উদ্দিন ভূইয়া লিখিত অভিযোগে জানান, উপজেলার ৭২টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সকাল থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত প্রায় ৫৩টি কেন্দ্র জোরপূর্বক দখল করে আওয়ামীলীগ ও এলডিপি সমর্থিত নেতাকর্মীরা। তিনি আরও অভিযোগ করেন, গণিপুর কেন্দ্রে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এসময় তার অনেক নেতাকর্মীকে মারধর করা হয়।
অপরদিকে ১৯ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী অধ্যাপক মো. আবু তাহেরও নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী গোলাম দস্তগীর পাপন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন- ‘অবাধ-সুষ্ঠু-নিরপে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছিল। বিএনপি ও এলডিপি সমর্থিত নেতাকর্মীরা সকাল থেকে ভোট কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে। আমাদের কর্মীরা বাঁধা দিলে আওয়ামীলীগের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজমা আক্তার চৌধুরী’র গাড়ী ভাঙচুর ও তার উপর হামলা চালায়। সে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’
সোমবার নির্বাচন চলাকালীন সময়ে দুপুর সাড়ে ১২টায় পৃথক ভাবে ওই দুই প্রার্থী বিভিন্ন অনিয়ম ও কারচুপি’র অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দিন ভূইয়া’র লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে এ তথ্য পাওয়া যায়।
মফিজ উদ্দিন ভূইয়া লিখিত অভিযোগে জানান, উপজেলার ৭২টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সকাল থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত প্রায় ৫৩টি কেন্দ্র জোরপূর্বক দখল করে আওয়ামীলীগ ও এলডিপি সমর্থিত নেতাকর্মীরা। তিনি আরও অভিযোগ করেন, গণিপুর কেন্দ্রে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এসময় তার অনেক নেতাকর্মীকে মারধর করা হয়।
অপরদিকে ১৯ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী অধ্যাপক মো. আবু তাহেরও নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী গোলাম দস্তগীর পাপন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন- ‘অবাধ-সুষ্ঠু-নিরপে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছিল। বিএনপি ও এলডিপি সমর্থিত নেতাকর্মীরা সকাল থেকে ভোট কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে। আমাদের কর্মীরা বাঁধা দিলে আওয়ামীলীগের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজমা আক্তার চৌধুরী’র গাড়ী ভাঙচুর ও তার উপর হামলা চালায়। সে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

Comments
Post a Comment