কুমিল্লার
মুরাদনগর উপজেলার পূর্বধইর পশ্চিম ইউনিয়নের এলখাল গ্রামের দ্বিতীয় শ্রেণির
ছাত্রী সুমি আক্তার (৯-ছদ্মনাম) কে গত সোমবার রাতে চার বন্ধু মিলে ধর্ষণের
অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় থানা পুলিশ লিটন নামের এক জনকে গ্রেফতার করে।
সুমি আক্তার বুøবার্ট কিন্টার গার্ডেন স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী।
অভিযোক্তরা হলেন, মো: মান্নান মিয়ার ছেলে গ্রেফতারকৃত লিটন (২৪), মো: বজলু মিয়া (ভুলুর) ছেলে কবির হোসেন (৩০), জাহাঙ্গির মিয়ার ছেলে আব্দুল্লাহ (২৫) ও মো: মারফত আলীর ছেলে জামাল (৩০) । সকলেই উপজেলার এলখাল গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নববর্ষ উপলক্ষে উপজেলার এলখাল গ্রামের মাঠে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হলে সুমি অক্তার সেই অনুষ্ঠানে যায়। অনেক রাতে হয়ে পরলে সেখানেই ঘুমিয়ে পড়ে। অনুষ্ঠান শেষে সকল দর্শক চলে গেলেও ফারজানা ঘুমিয়ে থাকে। অভিযুক্তরা তাকে ঘুমথেকে ওঠিয়ে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে, নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ফারজানা চিৎকার করলে এলাকার লোকজন এসে মেয়েটিকে উদ্ধার করে এবং এক জনকে আটক করে। এসময় বাকিরা পালিয়ে যায়।
পূর্বধইর পশ্চিম ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো: আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ওই ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচার দাবি করেন।
এ ব্যাপারে মুরাদনগর থানার উপ-পরিদর্শক মো: হারুন অর রশিদ জানান, ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে মেয়েটিকে উদ্ধার করে মেডিকেল রিপোর্টের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষণের অভিযোগে লিটন নামে এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান অভিযোগ কারীদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
সুমি আক্তার বুøবার্ট কিন্টার গার্ডেন স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী।
অভিযোক্তরা হলেন, মো: মান্নান মিয়ার ছেলে গ্রেফতারকৃত লিটন (২৪), মো: বজলু মিয়া (ভুলুর) ছেলে কবির হোসেন (৩০), জাহাঙ্গির মিয়ার ছেলে আব্দুল্লাহ (২৫) ও মো: মারফত আলীর ছেলে জামাল (৩০) । সকলেই উপজেলার এলখাল গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নববর্ষ উপলক্ষে উপজেলার এলখাল গ্রামের মাঠে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হলে সুমি অক্তার সেই অনুষ্ঠানে যায়। অনেক রাতে হয়ে পরলে সেখানেই ঘুমিয়ে পড়ে। অনুষ্ঠান শেষে সকল দর্শক চলে গেলেও ফারজানা ঘুমিয়ে থাকে। অভিযুক্তরা তাকে ঘুমথেকে ওঠিয়ে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে, নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ফারজানা চিৎকার করলে এলাকার লোকজন এসে মেয়েটিকে উদ্ধার করে এবং এক জনকে আটক করে। এসময় বাকিরা পালিয়ে যায়।
পূর্বধইর পশ্চিম ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো: আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ওই ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচার দাবি করেন।
এ ব্যাপারে মুরাদনগর থানার উপ-পরিদর্শক মো: হারুন অর রশিদ জানান, ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে মেয়েটিকে উদ্ধার করে মেডিকেল রিপোর্টের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষণের অভিযোগে লিটন নামে এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান অভিযোগ কারীদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

Comments
Post a Comment